Posts

Showing posts with the label নবাবের দরবারে

নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন হত্যা করেছিলেন তৎকালীন ভারতবর্ষের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলাকে?

Image
নবাব সিরাজউদ্দৌলা তখনও নবাব হননি। তিনি যুবরাজ। তারুণ্যের শোভায় তিনি ভরপুর। এমন সময় এক নারীর রূপের বর্ণনা কথা সিরাজের কানে গেল। সিরাজ মনঃস্থির করলেন, এই নারীকে তিনি মুর্শিদাবাদে নিয়ে আসবেন। বলা যেতে পারে সেই নারীর বর্ণনা শুনে তরুন সিরাজ প্রেমে পড়লেন।    দিল্লীর দরবারের নাচ মহলে বেজে উঠেছিল সেতার, সারেঙ্গীর মিশ্রণ সুর। ঘুঙুরের তালে চঞ্চল হয়েছিল বাদশাহ-র মন। এমন সময় এক চিঠি গিয়ে পৌছালো মুর্শিদাবাদ থেকে। বাদশাহ একটু বিচলিত হয়ে পড়লেন। চিন্তার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠল মুখে। কিন্তু কেন? কি এমন লেখা ছিল তাতে?  তা জানব আজকের ভিডিওতে। কিন্তু মূল পর্বে যাওয়ার আগে, আপনি যদি এই চ্যানেলে নতুন হোন আর ইতিহাসের নানা অজানা কাহিনী জানতে চান, তাহলে subscribe করুন এই চ্যানেলটিকে। মুর্শিদাবাদের ইতিহাস ঘাটলে যেমন উঠে আসে বিশ্বাসঘাতকতার কাহিনী তেমনি মুর্শিদাবাদ জুড়ে আছে নানান বৈচিত্র্যপূর্ণ মৃত্যু কাহিনী। আলিবর্দি খাঁ- থেকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রত্যেকের রাজত্বকালেই আছে কিছু ভিন্ন ভিন্ন মৃত্যু। সেই মৃত্যুর আড়ালে আছে লালসা, ভালোবাসা অথবা বিশ্বাসঘাতকতা নয়ত কঠোর শাসন।  নবাব সিরাজউদ্দৌলা তখনও নবাব হননি...

মীরজাফর কি বাধ্য হয়েছিল পলাশির ষড়যন্ত্র করতে? দ্বিতীয় পর্ব

Image
মীরজাফরই শুধু বিশ্বাসঘাতক বলে জনমানুষে যে ধারণা প্রচারিত হয়ে আছে তা ঐতিহাসিকভাবে কতটা সত্য?  আজ দ্বিতীয় পর্ব। এই ভিডিওর আগের পর্বে আমরা যে প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি তা হল - মীরজাফর কি বাধ্য হয়েছিলেন পলাশী ষড়যন্ত্র করতে? পলাশী চক্রান্তের মূল নায়ক কে বা কারা? মীরজাফরই শুধু বিশ্বাসঘাতক বলে জনমানুষে যে ধারণা প্রচারিত হয়ে আছে তা ঐতিহাসিকভাবে কতটা সত্য?  পলাশী কি শুধু ভারতীয়দের ষড়যন্ত্র এটি ইংরেজদের কি কোন ভূমিকা ছিল না?  এইসব প্রশ্নের উত্তর আমরা খোঁজার চেষ্টা করেছি এবং যা পেয়েছি তা উপযুক্ত প্রমাণসহ তুলে ধরর এই ভিডিওতে কিন্তু মূল পর্বে যাওয়ার আগে, ইতিহাসের নানা অজানা কাহিনী জানতে, subscribe করুন এই চ্যানেলটিকে। দেওয়ান সুবাহ মোহনলাল দরবারে ফিরে আসা মাত্র নিত্যনতুন অপমানের ধাক্কায় মীরজাফর ও নিজামত দেওয়ান রায় দুর্লভ এর প্রাচীন বন্ধুত্ব পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। আলীবর্দী খানের আমলে সওয়ার হাজিরা সংক্রান্ত কারচুপি ও তছরুপ ধরা পড়ে যাওয়ার সময় বিপর্যস্ত বকশী রায় দুর্লভ সাহায্য নিয়েছিলেন এবং সেই সুবাদে ওই বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন। মোহনলাল এই দুজনেরই শত্রু। দুই ...

মীরজাফর কি বাধ্য হয়েছিলেন পলাশির ষড়যন্ত্র করতে? প্রথম পর্ব

Image
  নবাব আলীবর্দী খানের কাছে কুরআন শরীফ ছুঁয়ে শপথ করেছিলেন সৈয়দ মীর জাফর আলী খান। নবাবের নাতির কোন ক্ষতি তিনি হতে দেবেন না। কিন্তু সেই মীর জাফর আলী খান কেন শপথ ভঙ্গ করলেন?                        মীরজাফর । বাংলায় মীরজাফর নামটাই বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক। এখনও ওই নাম বিশ্বাসঘাতকতার সমার্থক শব্দ। শুধু বাংলার ইতিহাস নয়, পৃথিবীর ইতিহাসেও পলাশীর ষড়যন্ত্র অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নবাবি আমলে মুর্শিদাবাদের ইতিহাস আলচনা করতে গেলে পলাশীর ষড়যন্ত্রের সম্যক বিশ্লেষণ অত্যন্ত জরুরি।   স্কুল-কলেজের পাঠ্য পুস্তকই শুধু নয়, এস. সি. হিল থেকে শুরু করে অধুনা পিটার মার্শাল, ক্রিস গেইলি, রজত কান্ত রায় প্রমুখের গ্রন্থেও সিরাজউদ্দৌলা এবং পলাশী ষড়যন্ত্র সম্বন্ধে কতকগুলি ভিন্ন ভিন্ন মত ও বক্তব্য দেখা যায়। পাটনা থেকে খবর আসে পাটনার লোকেরা মুর্শিদাবাদ পালানোর জন্য নৌকা যোগাড় করছে। অন্যদিকে বিহারের নায়েব রামনারায়ণকে নাকাল করতে পাটনার দক্ষিণে, নরহত সিমাই অঞ্চলের লড়াকু জমিদার কামগর খান বিদ্রোহ করেছেন। রাম নারায়ণ পড়লেন মহাফাঁপরে। নবাব ...

“জগৎশেঠ” আসলে কে? কেন পরবর্তীতে আর খুঁজে পাওয়া যায়না এই বংশের বংশধরদের?

Image
  সিরাজের কলকাতায় ইংরেজ কুঠি আক্রমণ করা থেকে শুরু হয় সিরাজ ইংরেজ বিদ্বেষের শুরু, যা পলাশীর যুদ্ধের ভিত তৈরি করেছিল। জগৎশেঠ চেয়েছিলেন ইংরেজদের সাথে ব্যবসা করার কিন্তু নবাব সিরাজ তা করতে দেননি। ফলে তিনি সিরাজ বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দেন তাকে সিংহাসনচ্যুত করার জন্য। এ লক্ষ্যে জগৎশেঠ, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ, মীরজাফর ও অন্যান্যরা একত্রিত হয়ে ঠিক করেন ইংরেজদের সহায়তা নেবেন তারা। এর ফলাফল ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত।  জগৎশেঠ। এই নামের অন্তরালে আছে রাজনীতি, অর্থনীতি ও ষড়যন্ত্রকারীর তকমা। এক সময় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বংশ, কালের নিয়মে হারিয়ে যায়। অষ্টাদশ শতকের ইতিহাসের পাতায় থাকলেও পরবর্তীতে আর খুঁজে পাওয়া যায়না এই বংশের বংশধরদের। কেন তারা গোপন রাখল তাদের পরিচয়? কোথায় গেলেন তাঁরা? জগৎশেঠ-ই বা কে? আসলেই কি জগৎশেঠ কারোর নাম? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে ক্লিক করুন নীচের ভিডিওতে👇👇👇

কীভাবে জাহানকোষা কামানের সাথে জড়িয়ে গেল বাঙালীর নাম?

Image
সোনা, রূপা, দস্তা, তামা, জিঙ্ক, টিন, লোহা ও পারদ। এই অষ্টধাতুর সংমিশ্রণে তৈরি এই কামান। তাই দশকের পর দশক কেটে গেলেও আজ মরচেবিহীন। ১৭ ফুট ৬ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য, পরিধি ৫ ফুট, ওজন ২১২ মণ বা প্রায় সাত টন। কামান বিস্ফোরণের জন্য ২৮ সের অর্থাৎ ১৭ কিলো বারুদের প্রয়োজন হত।  সুদূর ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ। কিভাবে এতটা পথ পাড়ি দিলো সাত টনের এই কামান? এর ইতিহাস খুঁজতে গেলে যেতে হবে ১৭০৩ সালে। শোনা যায়, করতলব খাঁ বা মুর্শিদকুলি খাঁ যখন জাহাঙ্গীরনগর থেকে মুখসুদাবাদে তার রাজধানী স্থানান্তর করেন, তখন এই কামানটাও সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। অষ্টধাতুর কামান আজও মরচে বিহীন অবস্থায় মুর্শিদাবাদের অলিতে গলিতে, ইটে কাঠে কিছু না কিছু ইতিহাস লুকিয়ে থাকে। লোকমুখে শোনা যায় এই মুর্শিদাবাদেই এমন এক অস্ত্র আছে যা নাকি ধ্বংস করে দিতে পারত গোটা পৃথিবী সেটি নিস্ক্রিয় হলেও তা নিয়ে বাঙালীর কৌতূহল আজও। কারণ তাঁর সাথে জড়িয়ে আছে এক বাঙালীর নাম। কে তিনি? সেই ইতিহাস জানতে হলে দেখুন নীচের ভিডিওটা।