“জগৎশেঠ” আসলে কে? কেন পরবর্তীতে আর খুঁজে পাওয়া যায়না এই বংশের বংশধরদের?

 সিরাজের কলকাতায় ইংরেজ কুঠি আক্রমণ করা থেকে শুরু হয় সিরাজ ইংরেজ বিদ্বেষের শুরু, যা পলাশীর যুদ্ধের ভিত তৈরি করেছিল। জগৎশেঠ চেয়েছিলেন ইংরেজদের সাথে ব্যবসা করার কিন্তু নবাব সিরাজ তা করতে দেননি। ফলে তিনি সিরাজ বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দেন তাকে সিংহাসনচ্যুত করার জন্য। এ লক্ষ্যে জগৎশেঠ, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ, মীরজাফর ও অন্যান্যরা একত্রিত হয়ে ঠিক করেন ইংরেজদের সহায়তা নেবেন তারা। এর ফলাফল ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত। 


জগৎশেঠ। এই নামের অন্তরালে আছে রাজনীতি, অর্থনীতি ও ষড়যন্ত্রকারীর তকমা। এক সময় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বংশ, কালের নিয়মে হারিয়ে যায়। অষ্টাদশ শতকের ইতিহাসের পাতায় থাকলেও পরবর্তীতে আর খুঁজে পাওয়া যায়না এই বংশের বংশধরদের। কেন তারা গোপন রাখল তাদের পরিচয়? কোথায় গেলেন তাঁরা? জগৎশেঠ-ই বা কে? আসলেই কি জগৎশেঠ কারোর নাম? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে ক্লিক করুন নীচের ভিডিওতে👇👇👇





Comments

Popular posts from this blog

গল্প নয়, সত্যি! লটারির টাকায় তৈরি হয়েছিল আজকের কলকাতা

জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার ১৭২ বছর

নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন হত্যা করেছিলেন তৎকালীন ভারতবর্ষের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলাকে?