Posts

Showing posts from December, 2022

কেন ১ তারিখ পালন করা হয় নববর্ষ? কিভাবে হল ইংরেজি ১২ মাসের নাম?

Image
রোমান প্রজাতন্ত্র এবং রোমান সাম্রাজ্যের সময় প্রত্যেক কনসাল বা শাসক প্রথম দপ্তরে বসার দিন থেকে বছরের দিন গণনা শুরু হয়েছিল। সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ২২২ সালের আগে ১ মে, খ্রিস্টপূর্ব ২২২ থেকে ১৫৪ খ্রিস্টপূর্ব ১৫ মার্চ, এবং খ্রিস্টপূর্ব ১৫৩ থেকে ১ জানুয়ারি হয়। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫ সালে যখন জুলিয়াস সিজার নতুন জুলীয় বর্ষপঞ্জি কার্যকর করেছিল, তখন সিনেট বছরের প্রথম দিন হিসাবে ১ জানুয়ারিকে স্থির করে। পঞ্চম থেকে দশম শতকের মধ্যে ইংল্যান্ডে অ্যাঙ্গেল, স্যাকসন এবং ভাইকিং আক্রমনের ফলে এই অঞ্চলটিকে কিছু সময়ের জন্য পূর্ব-ইতিহাসে নিমজ্জিত হয়ে পড়িছিল। খ্রিস্টধর্মের পুনঃপ্রবর্তনটি জুলীয় বর্ষপঞ্জিকে জীবিত করে, তবে এর ব্যবহারটি প্রাথমিকভাবে গির্জার পরিষেবাতে শুরু হয়েছিল। ১০৬৬ সালে দিগ্ববিজয়ী উইলিয়াম রাজা হওয়ার পর, তিনি ১ জানুয়ারিকে নাগরিক নববর্ষ হিসাবে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করার আদেশ দিয়েছিলেন। এ তো গেল কীভাবে ১লা জানুয়ারি নববর্ষ হল। এবার জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ইংরেজী মাসগুলোর নামকরণ হল? জানতে হলে দেখুন নীচের ভিডিওটি 👇👇👇👇👇👇

“জগৎশেঠ” আসলে কে? কেন পরবর্তীতে আর খুঁজে পাওয়া যায়না এই বংশের বংশধরদের?

Image
  সিরাজের কলকাতায় ইংরেজ কুঠি আক্রমণ করা থেকে শুরু হয় সিরাজ ইংরেজ বিদ্বেষের শুরু, যা পলাশীর যুদ্ধের ভিত তৈরি করেছিল। জগৎশেঠ চেয়েছিলেন ইংরেজদের সাথে ব্যবসা করার কিন্তু নবাব সিরাজ তা করতে দেননি। ফলে তিনি সিরাজ বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দেন তাকে সিংহাসনচ্যুত করার জন্য। এ লক্ষ্যে জগৎশেঠ, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ, মীরজাফর ও অন্যান্যরা একত্রিত হয়ে ঠিক করেন ইংরেজদের সহায়তা নেবেন তারা। এর ফলাফল ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যাস্ত।  জগৎশেঠ। এই নামের অন্তরালে আছে রাজনীতি, অর্থনীতি ও ষড়যন্ত্রকারীর তকমা। এক সময় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বংশ, কালের নিয়মে হারিয়ে যায়। অষ্টাদশ শতকের ইতিহাসের পাতায় থাকলেও পরবর্তীতে আর খুঁজে পাওয়া যায়না এই বংশের বংশধরদের। কেন তারা গোপন রাখল তাদের পরিচয়? কোথায় গেলেন তাঁরা? জগৎশেঠ-ই বা কে? আসলেই কি জগৎশেঠ কারোর নাম? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে ক্লিক করুন নীচের ভিডিওতে👇👇👇

কীভাবে জাহানকোষা কামানের সাথে জড়িয়ে গেল বাঙালীর নাম?

Image
সোনা, রূপা, দস্তা, তামা, জিঙ্ক, টিন, লোহা ও পারদ। এই অষ্টধাতুর সংমিশ্রণে তৈরি এই কামান। তাই দশকের পর দশক কেটে গেলেও আজ মরচেবিহীন। ১৭ ফুট ৬ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য, পরিধি ৫ ফুট, ওজন ২১২ মণ বা প্রায় সাত টন। কামান বিস্ফোরণের জন্য ২৮ সের অর্থাৎ ১৭ কিলো বারুদের প্রয়োজন হত।  সুদূর ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ। কিভাবে এতটা পথ পাড়ি দিলো সাত টনের এই কামান? এর ইতিহাস খুঁজতে গেলে যেতে হবে ১৭০৩ সালে। শোনা যায়, করতলব খাঁ বা মুর্শিদকুলি খাঁ যখন জাহাঙ্গীরনগর থেকে মুখসুদাবাদে তার রাজধানী স্থানান্তর করেন, তখন এই কামানটাও সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। অষ্টধাতুর কামান আজও মরচে বিহীন অবস্থায় মুর্শিদাবাদের অলিতে গলিতে, ইটে কাঠে কিছু না কিছু ইতিহাস লুকিয়ে থাকে। লোকমুখে শোনা যায় এই মুর্শিদাবাদেই এমন এক অস্ত্র আছে যা নাকি ধ্বংস করে দিতে পারত গোটা পৃথিবী সেটি নিস্ক্রিয় হলেও তা নিয়ে বাঙালীর কৌতূহল আজও। কারণ তাঁর সাথে জড়িয়ে আছে এক বাঙালীর নাম। কে তিনি? সেই ইতিহাস জানতে হলে দেখুন নীচের ভিডিওটা।

হারানো এক জয় সেবাস্টিয়ান আর কলকাতার গপ্পো ❤️

Image
 শীর্ণ মুখের সমস্ত লুকানো বিষাদ শুধু জমে ছিল আ্নন্দ-বেদনা-সুখ-দুঃখ রহিত আশ্চর্য নির্লিপ্ত দুটো চোখের মধ্যে। ছোট ছোট ঢেউ উঠছে সেখানে, ভেঙ্গে পড়ছে তারা। ভালবাসায় আঁকড়ে ধরেছে জীবনকে। প্রতিটা মুহূর্তকে। পৃথিবীর সমস্ত ওনডডেড হার্ট কে খুজতে চাইছে সে, ভাঙতে চাইছে দেশ কালের সীমানা।  তারপর? জানতে হলে ক্লিক করুন নীচের লিঙ্কে 👇👇👇👇 আমার Official  YouTube  চ্যানেলটিকে Subscribe  করতে কিন্তু ভুলবেন না।  💡 Please Don't Forget to SUBSCRIBE to My Channel ⇙ আমাদের চ্যানেলে কি বিষয়ে ভিডিও দেখতে চান ??? কমেন্টে লিখে জানান ⇙ শুনতে পারেন Spotify -তে: 💡 Spotify ফেসবুক পেজ লাইক করুন: 💡 Facebook ইনস্টাগ্রামে ফলো করুন: 💡 Instagram